ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবছর রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পেলেন ফ্রান্সের হেনরি কাগান ও জাপানের কেনসো সোয়াই একনেক সভায় ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল, প্রজ্ঞাপন জারি এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আজ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপে ৩০ ব্যাংকের এটিএমসহ ডিজিটাল সেবা চালু দুই কোটি শিশু টিকা পেয়েছে, আরও পাবে ৩৫ লাখ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অনুমোদনের অপেক্ষায় রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র জোড়া অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন মেসি ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু  প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা নিতে আইনি বাধা নেই এবছর পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন ফ্যামিলি কার্ডে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা ১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় মিলছে টানা ৫ দিনের ছুটি ডেঙ্গুতে ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৯০২ শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদার সাথে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী

১৯ সন্তানের মা হয়েও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন সৌদি নারীর

  • আপলোড সময় : ০৯-০১-২০২৫ ০৫:৩৫:৩২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০১-২০২৫ ০৫:৩৫:৩২ অপরাহ্ন
১৯ সন্তানের মা হয়েও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন সৌদি নারীর
সৌদি আরবের হামদা আল রুয়াইলি, যিনি ১৯ সন্তানের মা, সম্প্রতি ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন, এমন এক অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন যা সমাজে নারীদের সংগ্রাম এবং সাফল্যকে নতুনভাবে উদ্ভাসিত করেছে। তিনি ১০ ছেলে ও ৯ মেয়ের মা এবং একাধারে সন্তানদের পরিচর্যা, কাজ, পড়াশোনা এবং অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

হামদা বলেন, "আমি দিনের বেলা সন্তানদের দেখাশোনা এবং কাজ করি, আর রাতের বেলা ব্যবসা ও পড়াশোনা চালিয়ে যাই। আমি কোনো ঝামেলা চাই না, তাই সতর্কভাবে আমার প্রতিটি দিন পরিকল্পনা করি।" তিনি ৪৩ বছর বয়সে পা দেওয়ার আগেই ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন, যা তার দৃঢ় মনোবল এবং প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।

হামদা জানান, ১৯ সন্তানকে মানুষ করা তার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ ছিল, তবে তিনি শিক্ষকদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন, বিশেষত তাদের কাছ যারা একাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্লাস পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, "একটি সন্তান বড় করার মতোই আমি ১০ সন্তানের জন্য কাজ করেছি। আমি তাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করেছি এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য অনুপ্রাণিত করেছি।"

তার সন্তানরাও পড়াশোনায় সফল। তার একটি মেয়ে এতটাই মেধাবী যে, কিং আব্দুল আজিজ সেন্টার তার পড়াশোনার খরচ বহন করছে।

হামদা বলেন, "বিভিন্ন বাধা থাকা সত্ত্বেও আমি কখনো পড়াশোনা থেকে পিছিয়ে পড়িনি। এত সন্তান থাকা সত্ত্বেও আমার শিক্ষার স্বপ্ন কখনো বাদ দিইনি। এটি সম্ভব হয়েছে পরিবার এবং আল্লাহর সহায়তায়।"

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রবাসীদের ভোটিংয়ে বাংলাদেশের মডেল অনুসরণ করতে চায় নেপাল

প্রবাসীদের ভোটিংয়ে বাংলাদেশের মডেল অনুসরণ করতে চায় নেপাল